বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘোড়াঘাট-হিলি মহাসড়কে উন্নয়ন কাজের ধীরগতিতে ভোগান্তি

প্রতিনিধি, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর)

প্রকাশিত: ১৭:০৩, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৭:০৪, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘোড়াঘাট-হিলি মহাসড়কে উন্নয়ন কাজের ধীরগতিতে ভোগান্তি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট-ডুগডুগি-হিলি স্থলবন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত ২৬ কিলোমিটার মহাসড়ক প্রশস্ত ও মানোন্নয়ন প্রকল্পের কাজের ধীরগতিতে জনভোগান্তি বেড়েছে। ২০২১ সালে শুরু হওয়া তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় কয়েক দফা মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়ছে প্রকল্প ব্যয়ও।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, প্রকল্পের মূল অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৪৬৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা। তবে কাজের ধীরগতি ও কারিগরি নকশা পরিবর্তনের কারণে প্রথম সংশোধিত প্রস্তাবে ব্যয় বাড়িয়ে ৫৮৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা করার অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। এতে প্রকল্প ব্যয় বাড়ছে প্রায় ১২৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা। ২০২৪ সালে প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও এখন নতুন করে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।

পুরো ২৬ কিলোমিটার সড়কটি তিনটি পৃথক প্যাকেজে বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জামিল ইকবাল গ্রুপ। তবে চার বছরেও ঘোড়াঘাটের ওসমানপুর থেকে ডুগডুগি পর্যন্ত অংশের মাত্র ৪০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ডুগডুগি থেকে হিলি অংশের মূল কাজ এখনো শুরু হয়নি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কে খোঁড়াখুঁড়ির কারণে বিভিন্ন স্থানে ধুলাবালি উড়ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের কিছু অংশ কাদায় পরিণত হচ্ছে। এতে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

কাজের মান নিয়েও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। বলহার বাজারের ব্যবসায়ী সাহারুল ইসলাম ও সুরা মসজিদ এলাকার বাসিন্দা পারভেজ হাসান বলেন, সড়কের কাজ নিয়ে তাঁদের অসন্তোষ রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, বিটুমিন ও কার্পেটিংয়ের মান ভালো নয়। ভারী যানবাহন চলাচল করলে সড়কটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার ইনাম বলেন, ‘জনগণ খারাপ বললে কী হবে, সওজ কর্মকর্তারা তো খুশি আছেন।’

এ বিষয়ে দিনাজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, ‘বিষয়টি দেখছি।’ এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

শেয়ার করুনঃ