রোববার ১৯ জুলাই ২০২৬

২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশেষ রিপোর্ট থেকে আরও খবর

১৮৫০-এর বেনাপোল হাটে এক নীলকরের  চোখে ফকির ও গ্রামবাংলা

১৮৫০-এর বেনাপোল হাটে এক নীলকরের  চোখে ফকির ও গ্রামবাংলা

টমাস ম্যাচেল বেঙ্গল ইন্ডিগো কোম্পানিতে এক নীলকর হিসাবে যোগ দেন ১৮৪৬ সালে এবং থাকতে শুরু করেন গ্রামবাংলারেই বিভিন্ন নীলকুঠিতে। নীলকর জীবনের রোজনামচা তিনি লিখে রাখতেন তাঁর জার্নালে। সেই সঙ্গে জার্নালের পাতায় পাতায় আঁকতেন গ্রাম্য জীবনের ছবি। উনিশ শতকের গ্রামবাংলার এমন প্রত্যক্ষ ও সচিত্র দৈনন্দিন ধারাবিবরণী বোধহয় আর একটিও নেই। যশোর, হাঁসখালি, ত্রিবেণি, বনগাঁ, পেট্রাপোল, বেনাপোল, কৃষ্ণনগর, বড়গড়িয়া, মুর্শিদাবাদের পটকাবাড়ি তিনি গেছেন। তাঁর সেই বিবরণ রয়েছে তাঁর বইতে। ১৮৫০ সালের ৩ জুন তিনি এসেছিলেন যশোরের বেনাপোল নীলকুঠিতে। 

মধু কবির সমাধিতে একবেলা

মধু কবির সমাধিতে একবেলা

কলকাতায় ঘুমিয়ে আছেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। কাজের কারণে কলকাতা গেলেও যাওয়া হয়নি সেখানে। ২০১৬ সালের জুন মাসে সেই সুযোগ এলো। বাংলাদেশি লেখক যোবায়েন সন্ধি (বর্তমান জার্মান প্রবাসী) তখন কলকাতা। উঠেছিলাম তাঁর টালিগঞ্জের ভাড়া বাসায়। একদিন সকালে তাঁর কাছে মধু কবির সমাধিস্থলে যাবার আগ্রহ প্রকাশ করলাম। যোবায়েন সন্ধি জানালেন, কলকাতা জীবনে তিনিও সেখানে যাননি। গুগল ম্যাপে খোঁজ করলাম। গুগল দেখালো কলকাতার মল্লিক বাজার তাঁর সমাধি। গাড়ি নিয়ে চললাম সেখানে। এরপর ঘুরে ঘুরে দেখলাম। কবির সমাধিস্থল বেশ যত্নসহকারে রেখেছেন কলকাতার পূর্ত বিভাগ। সমাধিস্থলে যাবার রাস্তাও পাকা। দু’পাশে নানা ফুলের গাছ লাগানো। মধু কবির মৃত্যুর দুইদিন আগে ২৬ জুন মারা যান তাঁর স্ত্রী হেনরিয়েটা। তার সমাধি’র পাশেই মধু কবিকে সমাহিত করা হয়।

শীর্ষ সংবাদ: