দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাটে আমন ধানের ক্ষেতে ইঁদুরের আক্রমনে দিশেহারা হয়ে পরেছেন কৃষকরা। ধানের জমির মাঝে মাঝে গিয়ে ধান কেটে সাবাড় করছে, বিষ টোব, আগুনের কুন্ড , ফটকা ফুটিয়ে, ক্যাছেটের ফিতা, পলিথিন ব্যাক পুরাতুন জামা কাপর কাঠির মাথায় বেঁধে, কলার গাছ, জমিতে পুতে বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করেও কৃষকরা তাদের ফসল রক্ষা করতে পারছেনা।
রামেশরপুর গ্রামের কৃষক মেহেদুল বলেন ইঁদুরের হাত থেকে আর বুঝি শেষ রক্ষা হল না।
উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে মাঠের জমিতে ধান ক্ষেতে ইঁদুরের উৎপাত বেড়ে গেছে। কৃষক তাদের ধান ক্ষেতের আলোক ফাঁদ বসিয়েছে। কখন যে ধানের গাছের গোড়া কেটে দিচ্ছে তা বুঝতে পারছেনা কৃষকরা। মাঠ থেকে বাড়ি আসলে ফিড়ে যাওয়ার পর ধানের জমিতে পাওয়া যাচ্ছে বোঝায় বোঝায় কাটা ধান গাছ।
কৃষকরা জানান, পোকার বা অন্য কোন রোগ বালাইয়ের আক্রমন হলে ওষুধ দিয়ে রক্ষা পাওয়া যায় কিন্ত ইঁদুরের আক্রমনে রক্ষা পাওয়া যায় না।
ভাতছালা গ্রামের আব্দুস সালাম ইঁদুরের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বাজারের ঔষধের দোকানের পরামশে ঔষধ ব্যবহার করেছেন।
উপজেলা রামপুরা গ্রামের কৃষক সৈয়কত জানান, আগের দিনে ইদুর ধরতো তার ব্যাপকতা এত বেশি ছিলনা। দিনের বেলা গর্থে বা বোন জঙ্গেলে থাকে রাতের বেলা ধানের জমিতে ধান গাছ কেটে সাবার করছে।
কৃষকেরা বলছেন, চলিত আমন আবাদে এক দিকে খরা, অন্য দিকে পোকার আক্রমন আবার ইঁদুরের আক্রমনে ফসল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পরেছে।
জমির ফসল রক্ষায় কৃষকরা বিষ টোব, আগুনের কুন্ড জালিয়ে, ফটকা ফুটিয়ে, ক্যাছেটের ফিতা, পলিথিন ব্যাক পুরাতুন জামা কাপর কাঠির মাথায় বাধিয়ে কলার গাছ, জমিতে পুতিয়ে দিয়েও কৃষকেরা তাদের ফসল ইদুর হাত থেকে রক্ষা করতে কৃষকরা অপ্রন চেষ্ঠা করে যাচ্ছেন
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঘোড়াঘাট, উপজেলা কৃষি অফিসার, মোঃ রফিকুজ্জামান বলেন, কৃষকদের গরম পানি , বিষ টোব, ফটকা ফুটিয়ে সম্মলিত ভাবে কাজ করলে ইঁদুর তাড়ানো সম্ভব।


























