জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
সফরটি এবার সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে। রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ আয়োজিত বিশেষ আলোচনাতেও তিনি অংশ নিতে পারেন।
এ ছাড়া জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গাসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও তাঁর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
নভেম্বরে ভারত সফরের সম্ভাবনা
এদিকে চলতি বছরের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করতে পারেন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাওয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য এই সফরকে সামনে রেখে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে স্থগিত হয়ে যাওয়া বিভিন্ন আলোচনা পুনরায় শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সফরটি হলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হতে পারে। সেখানে সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অভিবাসন, বাণিজ্য, গঙ্গার পানিবণ্টনসহ দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি গত জুনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, ভারতকে ঘিরে অতিরিক্ত আগ্রহ বা ‘মোহ’ থেকে বেরিয়ে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে ভারসাম্যপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ।


























