ছবিঃ নিহত ইয়াশাত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিম
স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে তার মাথায় গুরুতর আঘাত ও পুরো শরীরে বেশ কিছু জখমের চিহ্ন মিলেছে। পুলিশের ধারণা করছে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হতে পারে।
সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম। শনিবার রাত ১০টার দিকে তিনি বলেন, ‘অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মাথায় আঘাতের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শরীরের বিভিন্ন স্থানে আরও ছোটখাটো কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।’
ময়নাতদন্তে অংশ নেওয়া একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘মাথায় আঘাতে মৃত্যু হয়েছে বলে আপাতত আমরা ধারণা করছি। তবে তাকে শ্বাসরোধ কিংবা হত্যার আগে চেতনানাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা- এটা নিশ্চিত হতে শরীর থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।’
শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেছেন, ‘ডিবি ও এসআরবি হেফাজতে আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।’ এ ঘটনায় রোববার মামলা করবে অপ্রতিমের পরিবার।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ শনিবার দুপুরে কুবি ক্যাম্পাসের পাশের জঙ্গল লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ সিসিটিভির ফুটেজ দেখে প্রথমে তুহিন নামের এক যুবককে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাস ও ফাহিম আহমেদ নামে দুজনকে আটক করা হয়েছে।


























