ছবিঃ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান
সৌদি আরবের কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র । বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, প্রস্তাবিত বিক্রয় চুক্তি উপসাগরীয় অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি নন-ন্যাটো মিত্রের নিরাপত্তা জোরদার করবে। একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করবে।
সৌদি আরবের নতুন প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের আওতায় সৌদি আরবের এফ-৩৫ কেনার বিষয়টি দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের হোয়াইট হাউসে সফরের সময় ওই প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব চূড়ান্ত হয়।
সৌদি আরবের কাছে এফ-৩৫ বিক্রির প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসরায়েলের ‘কোয়ালিটেটিভ মিলিটারি এজ’ বা সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টি পর্যালোচনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। বছরের শুরুতে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা কংগ্রেসের ক্যাপিটল হিলে এ বিষয়ে একাধিক বৈঠকও করেন।
চুক্তিটি এগিয়ে নিতে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান চলতি গ্রীষ্মে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা এমইইকে জানিয়েছেন।
তবে চুক্তির ঘোষণা এমন এক সময়ে এল, যখন ইয়েমেনের হুথিদের হামলা নিয়ে সৌদি আরব চাপের মধ্যে রয়েছে। হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে রয়েছে সৌদি আরব। অন্যদিকে ইয়েমেনে সৌদি আরবের সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার হুথিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে। এমইইর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুথিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরো অংশের পাশাপাশি বাব আল-মান্দাব প্রণালির আরব উপসাগরমুখী অংশের নিয়ন্ত্রণও নিয়েছে।
এদিকে সৌদি আরব এফ-৩৫ পেলে চীনের হাতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রযুক্তি চলে যেতে পারে-এমন আশঙ্কা রয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা মহলের কিছু কর্মকর্তার মধ্যে।


























