রোববার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ অধিবেশন

ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদের ভিসার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান

এএফপি

প্রকাশিত: ০০:০৬, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদের ভিসার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদেরকে ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে পুনর্বিবেচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) খবর এএফপি’র।

যুক্তরাষ্ট্র টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এ প্রতিনিধি দলে ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসও রয়েছেন। আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

ইইউর কূটনৈতিক বিভাগের মুখপাত্র আনোয়ার এল আনুনি শনিবার বলেন, ‘টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের প্রবেশ ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্তে আমরা দুঃখিত।’

তিনি বলেন, জাতিসংঘের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান সদর দপ্তর-সংক্রান্ত চুক্তি ও আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

গত বছরও ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ফিলিস্তিনি প্রতিনিধি দলকে ভিসা দেয়নি। এর ফলে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের নিয়মিত বক্তা মাহমুদ আব্বাসকে ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে বক্তব্য দিতে হয়েছিল।

এ বছরও আব্বাসকে ভার্চুয়ালি সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার পক্ষে বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৫২-৩ ভোট পড়ে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি মিশনের সদস্যরাই কেবল আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সরাসরি অংশ নিতে পারবেন।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করেন। 
তিনি জানান, এই সিদ্ধান্তের কারণে ‘জাতিসংঘের কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সক্ষমতা’ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে তিনি উদ্বিগ্ন।

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশ্নেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জাতিসংঘের অধিকাংশ সদস্যরাষ্ট্রের মতপার্থক্য রয়েছে। গত বছর জাতিসংঘে ১৪২টি সদস্যরাষ্ট্র ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশ ভিসা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এসেছে, যখন অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরইয়লি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ