বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬

১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগামী বছরের নভেম্বরে শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ: পানিসম্পদ

রানার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:০৮, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

আগামী বছরের নভেম্বরে শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ: পানিসম্পদ

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, সব প্রক্রিয়া শেষ করে ২০২৭ সালের নভেম্বর মাসেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে সরকার। তিস্তা ইস্যুতে এরই মধ্যে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। নদী বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কারিগরি কমিটি কাজ করছে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অর্থমন্ত্রী ফিরে এলে এ বিষয়ে অনুমোদন পাওয়া যেতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা তৈরিতে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। সিইজিআইএস, নদী কমিশনের কর্মকর্তা ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতামতও নেওয়া হচ্ছে। সবার পরামর্শ সমন্বয় করে তৈরি করা হবে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি)। প্রকল্পটি কীভাবে বাস্তবায়ন করলে স্থানীয় মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন, তা নিশ্চিত করতে আরও আট থেকে নয় মাস সময় লাগতে পারে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও রংপুরের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এই মেগা প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে মহেন্দ্রনগর নিষ্কাশন খাল প্রসঙ্গে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, আগামী ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী খালটির উদ্বোধন করবেন। খালটি চালু হলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে, যা এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও নতুন লালমনিরহাট গড়ার উদ্যোগকে এগিয়ে নেবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহ. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা সুনীল কুমার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাসসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দরা।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

শীর্ষ সংবাদ: