বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬

১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুলিস্তান-সদরঘাট ফুটপাত থেকে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

রানার প্র‌তি‌বেদক

প্রকাশিত: ১৫:৪৪, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

গুলিস্তান-সদরঘাট ফুটপাত থেকে  শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

সংগৃহীত ছবি

গুলিস্তানের ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেটসংলগ্ন ফুটপাত থেকে শতাধিক অবৈধ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। একই সঙ্গে উচ্ছেদ করা স্থাপনার মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। উচ্ছেদের পর আবারও ফুটপাত ও সড়ক দখল করে বসলে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেফতার করা হবে বলে সতর্ক করেছে ডিএসসিসি।

আজ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে পে-লোডারসহ বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অবৈধ স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ডিএসসিসির চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, শতাধিক উচ্ছেদকর্মী ও পুলিশের ছয় প্লাটুন সদস্য অভিযানে অংশ নেন।

ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম সরাসরি উপস্থিত থেকে অভিযান পরিদর্শন করেন। 

এ সময় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, রাজধানীর রাস্তা ও ফুটপাত পরিষ্কার এবং দখলমুক্ত রাখতে সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

ডিএসসিসির প্রশাসক আরও বলেন, হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। হকাররা কেবল নির্ধারিত স্থানেই বসতে পারবেন। বিশেষ করে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো সড়ক পরিষ্কার রাখা হবে এবং মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না।

হকারদের আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছে উল্লেখ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেওয়ার পাশাপাশি হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করা হয়েছে। 

এরপরও উচ্ছেদের পর আবারও দখল করে বসায় কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মো. আবদুস সালাম বলেন, নিয়ম অমান্য করে কেউ সড়ক বা ফুটপাত দখল করলে তার মালামাল জব্দ করা হবে। প্রয়োজনে গ্রেফতারও করা হবে। দখলমুক্ত রাখার এ অভিযান চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে অব্যাহত থাকবে।

ডিএসসিসি জানায়, পথচারীদের নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা ও রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। 

উচ্ছেদের পর যাতে পুনরায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়েও নজরদারি অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

অভিযান পরিচালনা করেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খান ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম। পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।

 

শেয়ার করুনঃ

শীর্ষ সংবাদ: