মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু

রানার প্র‌তি‌বেদক

প্রকাশিত: ১৬:৪৪, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু

সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজার বিমানবন্দরে নির্মিত নতুন আন্তর্জাতিক মানের প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে নতুন টার্মিনালে বিমান উঠানামা শুরু হয়েছে। টার্মিনালের ছাদ ঝিনুক আকৃতির অবয়বে নির্মাণ করা হয়েছে। ওপরে স্টিলের কাঠামোতে সমুদ্রের ঢেউয়ের নকশা। সাগরঘেঁষা কক্সবাজার বিমানবন্দরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নকশা করা হয়েছে নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালের। এই টার্মিনালের কার্যক্রম শুরুর ফলে দীর্ঘদিনের যাত্রী ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য এয়ার কমডোর মো. নূর-ই-আলম বাসস’কে বলেন, পুরনো টার্মিনালে ফ্লাইট প্রতি ৪শ’ থেকে ৫শ’ কখনো বা সাড়ে ৫শ’ যাত্রীও হয়ে যেত। ফলে টার্মিনালের ধারণ ক্ষমতার বাইরে বেশ চাপ তৈরি হতো। নতুন টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন পরে হবে। আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে এর কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, নতুন টার্মিনালে যাত্রীরা বড় পরিসরের জায়গা, পর্যাপ্ত কাউন্টার ও বসার সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে টার্মিনাল পরিচালনায় কোনো সমস্যা রয়েছে কি-না, পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সেটিও চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

প্রায় ১৭ হাজার ৯৫৫ বর্গমিটার আয়তনের আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালটিতে রয়েছে ১৪টি চেক-ইন কাউন্টার, ১০টি ইমিগ্রেশন ডেস্ক এবং দুটি আধুনিক ব্যাগেজ ক্লেইম বেল্ট। নিরাপত্তার জন্য রয়েছে ৭টি স্ক্যানার, মেটাল ডিটেকশন ব্যবস্থা এবং হোল্ড ব্যাগেজ স্ক্যানিংয়ের আলাদা সুবিধা। যাত্রী চলাচলের জন্য রয়েছে ৪টি এসকেলেটর ও ৬টি লিফট। পাশাপাশি রয়েছে বোর্ডিং ব্রিজ ও আধুনিক লাগেজ হ্যান্ডলিং ব্যবস্থা। এর আনুমানিক ব্যয় প্রায় ৩৬২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

বেবিচক সূত্র জানায়, নতুন টার্মিনালে বছরে প্রায় ২০ লাখ যাত্রী পরিচালনার সক্ষমতা রাখা হয়েছে। এরইমধ্যে বিদেশি বিভিন্ন সরঞ্জামের টেস্টিং ও কমিশনিংও সম্পন্ন হয়েছে। নতুন টার্মিনাল নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এয়ারলাইন্স সংশ্লিষ্টরাও।

কক্সবাজার বিমানবন্দরে নির্মিত নতুন আন্তর্জাতিক মানের প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে নতুন টার্মিনালে বিমান উঠানামা শুরু হয়েছে। টার্মিনালের ছাদ ঝিনুক আকৃতির অবয়বে নির্মাণ করা হয়েছে। ওপরে স্টিলের কাঠামোতে সমুদ্রের ঢেউয়ের নকশা। সাগরঘেঁষা কক্সবাজার বিমানবন্দরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নকশা করা হয়েছে নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালের। এই টার্মিনালের কার্যক্রম শুরুর ফলে দীর্ঘদিনের যাত্রী ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য এয়ার কমডোর মো. নূর-ই-আলম বাসস’কে বলেন, পুরনো টার্মিনালে ফ্লাইট প্রতি ৪শ’ থেকে ৫শ’ কখনো বা সাড়ে ৫শ’ যাত্রীও হয়ে যেত। ফলে টার্মিনালের ধারণ ক্ষমতার বাইরে বেশ চাপ তৈরি হতো। নতুন টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন পরে হবে। আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে এর কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, নতুন টার্মিনালে যাত্রীরা বড় পরিসরের জায়গা, পর্যাপ্ত কাউন্টার ও বসার সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে টার্মিনাল পরিচালনায় কোনো সমস্যা রয়েছে কি-না, পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সেটিও চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

প্রায় ১৭ হাজার ৯৫৫ বর্গমিটার আয়তনের আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালটিতে রয়েছে ১৪টি চেক-ইন কাউন্টার, ১০টি ইমিগ্রেশন ডেস্ক এবং দুটি আধুনিক ব্যাগেজ ক্লেইম বেল্ট। নিরাপত্তার জন্য রয়েছে ৭টি স্ক্যানার, মেটাল ডিটেকশন ব্যবস্থা এবং হোল্ড ব্যাগেজ স্ক্যানিংয়ের আলাদা সুবিধা। যাত্রী চলাচলের জন্য রয়েছে ৪টি এসকেলেটর ও ৬টি লিফট। পাশাপাশি রয়েছে বোর্ডিং ব্রিজ ও আধুনিক লাগেজ হ্যান্ডলিং ব্যবস্থা। এর আনুমানিক ব্যয় প্রায় ৩৬২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

বেবিচক সূত্র জানায়, নতুন টার্মিনালে বছরে প্রায় ২০ লাখ যাত্রী পরিচালনার সক্ষমতা রাখা হয়েছে। এরইমধ্যে বিদেশি বিভিন্ন সরঞ্জামের টেস্টিং ও কমিশনিংও সম্পন্ন হয়েছে। নতুন টার্মিনাল নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এয়ারলাইন্স সংশ্লিষ্টরাও।

শেয়ার করুনঃ

শীর্ষ সংবাদ: