ভিডিও ডকুমেন্টরিগুলোর প্রত্যেকটিই ছিল যেন একেকটি পরিবারের দৈনন্দিন জীবনযাপনের গল্প ও দিনলিপি। সংসারে বাবা-মায়ের সঙ্গে শিশুসন্তানদের বেড়ে ওঠার নানা ঘটনাপ্রবাহই ছিল পারিবারিক পরিমণ্ডলে নিজেদের উদ্যোগে তৈরি করা ভিডিওগুলোর মূল প্রতিপাদ্য। ঘুম থেকে ওঠা, শরীরচর্চা, খেলাধুলা শেষে বাসায় ফেরা, প্রাত্যহিক লেখাপড়া ও প্রাতরাশের পর স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতির দৃশ্য তুলে ধরে অনেকগুলো পরিবার। এতে ফুটে ওঠে পারিবারিক জীবনের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। বৃদ্ধ দাদুর খবরের কাগজ পড়ার দৃশ্য, ঠিক পাশে বসে থাকা নাতি-নাতনিদের উপস্থিতি—এসব ভিডিওচিত্র যেন এ দেশের মানুষের চিরায়ত পারিবারিক জীবনের চিত্রকল্প হয়ে ওঠে।
শনিবার রাতে যশোর পৌর কমিউনিটি সেন্টারে বাবা-মা ও তাঁদের সন্তানদের যৌথ প্রয়াসে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্যের এসব ভিডিও ডকুমেন্টরি প্রদর্শিত হয়। ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজন দর্শকদের হৃদয় স্পর্শ করে। শিশুদের স্কুল ব্রাদার টিটোস হোম এসব ভিডিও ডকুমেন্টরি প্রদর্শনীর আয়োজন করে। স্কুলের শিক্ষার্থী ও তাঁদের বাবা-মায়েরাই ছিলেন এসব ভিডিওর নির্মাতা। পারিবারিক আবহে সন্তানদের নিয়ে ভিডিওগুলো তৈরি করেছিলেন তাঁরা।
এদিন মোট ৫৬টি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। ব্যতিক্রমধর্মী এই অনুষ্ঠানের নামকরণ করা হয়েছিল ‘মনের মতো মেয়ে, মনের মতো ছেলে’।
প্রদর্শনী শেষে প্রত্যেক ভিডিও নির্মাতা পরিবারের হাতে উপহার তুলে দেওয়া হয়। বাবা-মায়েদের দেওয়া হয় ক্রেস্ট। আর সন্তানদের গলায় বাবা-মায়েরাই পরিয়ে দেন মেডেল। এ ছাড়া উপহার হিসেবে দেওয়া হয় নগদ অর্থ। উপহার তুলে দেন অনুষ্ঠানের অতিথি দৈনিক রানারের যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সালমান হাসান রাজিব ও সোহেলী নাজনীন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ব্রাদার টিটোস হোম স্কুলের অধ্যক্ষ আলী আযম টিটো।


























