শনিবার ০৩ অক্টোবর ২০২৬

১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মদিনায় ড্রোন হামলা, ওআইসি ও আরব দেশগুলোর তীব্র নিন্দা

রানার ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫১, ২ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ১১:৫৩, ২ অক্টোবর ২০২৬

মদিনায় ড্রোন হামলা, ওআইসি ও আরব দেশগুলোর তীব্র নিন্দা

হামলার শিকার মদিনার বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেই পবিত্র মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনায়  বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পৃথক বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনও হামলার নিন্দা জানায়। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী এ হামলা চালিয়েছে। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা।

আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থাগুলো বলছে, মদিনায় একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা হয়েছে বলে সৌদি আরবের ঘোষণার পর ওই আইসি ও আরব দেশগুলোর কাছ থেকে এসব প্রতিক্রিয়া আসে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, মদিনার তাইবা বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে ওই হামলা হয়েছে। ওই কেন্দ্র থেকে মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। হামলায় একটি ট্রান্সফরমার অচল হয়ে গেলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ হয়নি।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, ঘটনার তদন্ত এবং হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করে তারা নিশ্চিত হয়েছে যে হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে হুতিরা জড়িত ছিল।

তবে হুতিদের পরিচালিত সংবাদ সংস্থা সাবার প্রতিবেদনে গোষ্ঠীটির এক সামরিক কর্মকর্তা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি এটিকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেন। তার ভাষ্য, মক্কায় হুতিদের হামলার অভিযোগের পক্ষে সৌদি আরব প্রমাণ দিতে না পারায় বিষয়টি আড়াল করতেই মদিনার হামলার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, মদিনায় হামলাটি মক্কার মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীসহ ইসলামের দুই পবিত্র মসজিদকে লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার ধারাবাহিক চেষ্টার অংশ। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের উসকে দেয়ারও চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে জোটটি। পবিত্র স্থান ও মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে তারা।

এদিকে মদিনায় হামলার ঘটনায় ‘তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ’ জানিয়েছে ওআইসি। সংস্থাটি বলেছে, মদিনার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও স্থাপনায় হামলা ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদার প্রকাশ্য লঙ্ঘন’। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক ও মানবিক আইন এবং প্রচলিত নীতিমালারও লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে ওআইসি।

এছাড়া সৌদি আরবের ভূখণ্ড, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় নেয়া পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়েছে সংস্থাটি। পাশাপাশি ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর সুরক্ষা এবং দেশটির নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগের প্রতিও সমর্থন জানিয়েছে ওআইসি।

 

শেয়ার করুনঃ

শীর্ষ সংবাদ: