মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণের (খাতা চ্যালেঞ্জ) ফল প্রকাশিত হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণ প্রক্রিয়ায় শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১ হাজার ৬৮৪ পরীক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে অকৃতকার্য থেকে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৮০ পরীক্ষার্থী।
বোর্ডের দেওয়া পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফলে অকৃতকার্য থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পাশাপাশি বহু শিক্ষার্থীর জিপিএ ও গ্রেডে পরিবর্তন এসেছে।
প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, আগে অকৃতকার্য (এফ গ্রেড) থাকা ৩৮০ জনের মধ্যে ১ জন শিক্ষার্থী সরাসরি ‘এ’ গ্রেড পেয়েছে। এছাড়া ৩ জন ‘এ মাইনাস’, ৩৩ জন ‘বি’, ১৯ জন ‘সি’ এবং ৩২৪ জন শিক্ষার্থী ‘ডি’ গ্রেড পেয়ে কৃতকার্য হয়েছে।
এদিকে পুনঃনিরীক্ষণে যশোর শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেড়েছে। আগে ‘এ’ গ্রেড পাওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে ৭৩১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়া পূর্বে ‘এ মাইনাস’ পাওয়া ১৯ জন এবং ‘বি’ গ্রেড পাওয়া ২ জন পরীক্ষার্থীও পুনঃনিরীক্ষণ শেষে জিপিএ-৫ পেয়েছে।
অন্যান্য গ্রেড পরিবর্তনের ক্ষেত্রে—‘এ মাইনাস’ থেকে ‘এ’ গ্রেডে উন্নীত হয়েছে ৩০৮ জন, ‘বি’ থেকে ‘এ’ পেয়েছে ১২ জন, ‘বি’ থেকে ‘এ মাইনাস’ পেয়েছে ১৫০ জন এবং ‘সি’ থেকে ‘বি’ পেয়েছে ৬৫ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া আরও কিছু পরীক্ষার্থীর গ্রেড নিচের ধাপ থেকে ওপরের ধাপে উন্নীত হয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মতিন জানান, শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অভিজ্ঞ পরীক্ষকদের মাধ্যমে নীতিমালা মেনে সতর্কতার সঙ্গে উত্তরপত্র পুনঃযাচাই করা হয়। প্রধানত নম্বর গণনা, লেখা কিংবা যোগফলসংক্রান্ত ভুলগুলো সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত ফল বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্রগুলোতেও ইতিমধ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।


























