সংগৃহীত ছবি
আগামী ১৫ বছরে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে যাওয়া প্রায় ১২০ কোটি তরুণের মধ্যে ৮০ কোটিই কোনো কর্মসংস্থান খুঁজে পাবে না বলে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। দেশগুলো এখনই নীতিগত পরিবর্তন ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নিলে এই বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী চাকরিহীন ভবিষ্যতের মুখোমুখি হবে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
জাতিসংঘের অফিশিয়াল ব্রডকাস্টার ইউএন ওয়েব টিভিতে সরাসরি সম্প্রচারিত সদর দপ্তরের নিয়মিত মধ্যাহ্নকালীন সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত হয়ে মঙ্গলবার এই বিশ্বজনীন সতর্কবার্তা দেন সংস্থাটির প্রশাসক আলেকজান্ডার ডি ক্রু।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বার্ষিক সভার সাইডলাইন থেকে তিনি ভার্চুয়ালি এই অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশ নেন।
ইউএন ওয়েব টিভির পর্দায় ২২ মিনিট ৯ সেকেন্ডের এই ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে ডি ক্রুকে সংস্থার নতুন নীতিগত প্রতিবেদন ‘নো টাইম টু রিকভার’-এর মূল রূপরেখা প্রদর্শন করতে দেখা যায়।
তিনি ডিজিটাল স্ক্রিনে বৈশ্বিক জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধির চার্ট ও প্রযুক্তির বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, 'যদি নীতিগত পরিবর্তন ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ এখনই না নেওয়া হয়, তবে এই সংকট নিজে থেকে সমাধান হবে না। উন্নয়নশীল দেশগুলোর অধিকাংশ মানুষের গড় বয়স ১৮ থেকে ২৫ বছর, যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।'
লাইভ ব্রিফিংয়ে বিশ্বব্যাপী চলমান ‘ত্রিমুখী ধাক্কা’ (উচ্চ ঋণ পরিশোধ, তীব্র এল নিনো এবং জ্বালানি সংকট)-এর রূপরেখা গ্রাফিক্সের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেন ইউএনডিপি প্রধান।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিমা খাতের ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসার ঘটলেও সেবা খাত, কৃষি ও পর্যটনের মতো শ্রমঘন খাতগুলোয় বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি সম্ভব।
২০১৫ সালে এশিয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ৬৫ বিলিয়ন ডলারের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ক্ষতির বিপরীতে মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলারের বিমা থাকার উদাহরণ টেনে তিনি ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাগুলোকে সুরক্ষার আহ্বান জানান।


























