চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে কমিশন নেওয়ার অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল ইসলাম রাসেল। সম্প্রতি স্থানীয় একটি পত্রিকায় জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পের বিলের কমিশন আদায়ের অভিযোগ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের পর সাংবাদিকদের কাছে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্তসহ অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন দাবি করেছেন।
ইউএনও আশরাফুল ইসলাম রাসেল বলেন, সংবাদে আমার বিরুদ্ধে ‘পার্সেন্টেজ’ (কমিশন) নেওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। এডিপি ও ইউডিএফের যেসব কাজের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো আমার যোগদানের আগের কাজ। আমি নির্বাচনের কয়েকদিন আগে জীবননগরে যোগদান করেছি। আমার যোগদানের পর নতুন কোনো কাজ বাস্তবায়ন হয়নি।
তিনি আরও বলেন, জীবননগর উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা আল আমিন মিন সাহেবের সময়েই এসব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে আমার সম্পৃক্ততার প্রশ্নই আসে না।
ভ্যাট ও আইটি (আয়কর) সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারি বিধি অনুযায়ীই ভ্যাট-আইটি কাটা হয়েছে। এটা কেটেছেন উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিস এখানে কোনো অনিয়ম বা অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণের সুযোগ নেই।
প্রকাশিত সংবাদকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই এমন ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে একটি চক্র ।”
এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলামের মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার কল করলে তিনি সাড়া (রিসিভ) না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


























