ভোর হতেই একদিকে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যদিকে লেবাননের হিজবুল্লাহর রকেট হামলার সতর্ক সাইরেনে ঘুম ভেঙেছে ইসরায়েলিদের।
শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরে ইরান থেকে সরাসরি ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। কিছু সময়ের ব্যবধানে লেবানন সীমান্ত-সংলগ্ন উত্তর গ্যালিলি অঞ্চলেও বৃষ্টির মতো রকেট আছড়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এলাকাটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় রকেটগুলো হিজবুল্লাহর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নিশ্চিত করেছে, ইরান থেকে ছোঁড়া একঝাঁক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে আসছে। তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘অ্যারো’ এবং ‘ডেভিডস স্লিং’ সক্রিয় রয়েছে এবং ধেয়ে আসা হুমকিগুলো প্রতিহত করার চেষ্টা করছে। সতর্ক বার্তা হিসেবে ইসরায়েলের একটি বড় অংশজুড়ে বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে।
এদিকে ইসরায়েলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২২ মিনিটে উত্তর ইসরায়েলের গ্যালিলি অঞ্চলের কফার গিলাদি, কফার ইউভাল এবং মেটুলা এলাকায় রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। টেলিগ্রামের একটি পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়।
পোস্টে ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম কান শুক্রবার সকালে আপার গ্যালিলি অঞ্চলে হওয়া আগের একটি হামলার ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে বেশ কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি দেখা গেছে।
এক সতর্ক বার্তায় হামলায় আক্রান্ত এলাকার বাসিন্দাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
এর আগে দেশটির মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলজুড়েও বেশ কিছু হামলা হয়েছে। দক্ষিণের নেগেভ মরুভূমির একটি বেদুইন গ্রামেও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে।
মধ্য ইসরায়েলের বেন গুরিয়েন বিমানবন্দরের কাছের শহর শোহামেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। ওই এলাকায় ইরানি হামলার ফলে একটি ভবনে আগুন ধরে যাওয়ায় ৩০ জন বাসিন্দাকে সরিয়ে নিতে হয়েছে।


























