যশোর–৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতায় যাওয়া কিংবা কাউকে ক্ষমতা থেকে নামানো নয়। রাজনীতি মানে মানুষের সেবক হিসেবে তাদের পাশে থাকা—বিপদে, আপদে ও সংকটে সহযোগিতা করা এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা।
বুধবার সকালে নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে চূড়ামনকাটি ইউনিয়নের খিতিবদিয়া পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পথসভাকে কেন্দ্র করে খিতিবদিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। হিন্দু–মুসলিম নারী-পুরুষ সকলেই ফুল ছিটিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে বরণ করে নেন। এ সময় কোমলমতি শিশুরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তাঁর গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেয়। তিনি শিশু ও বৃদ্ধদের বুকে জড়িয়ে ধরে স্নেহভরে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি চূড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আব্দুস সাত্তারকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিএনপি উন্নয়নের রাজনীতি করে। চূড়ামনকাটি ইউনিয়নে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে আজ এই এলাকা বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছে। আমাদের অভিভাবক তরিকুল ইসলামের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে চূড়ামনকাটিতে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার পাশাপাশি বিদ্যমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছিল। তিনি কাঁচা ও পাকা মিলিয়ে প্রায় ৫০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করেছিলেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ১৬ বছরে চূড়ামনকাটির উন্নয়নের চাকা কার্যত থমকে গেছে। জনগণের সহযোগিতায় তিনি আবারও উন্নয়নের ধারাকে ফিরিয়ে আনতে চান এবং যশোরের প্রকৃত রাজনৈতিক ঐতিহ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে মানুষের মধ্যে কোনো বিভাজন তৈরি হতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
এ সময় সদর উপজেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহসভাপতি সেলিনা পারভীন শেলী বক্তব্য রাখেন।
পথসভা শেষে চূড়ামনকাটি ইউনিয়নের প্রয়াত সকলের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।


























