সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামপালের দ্বিতীয় ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ

প্রতিনিধি, বাগেরহাট

প্রকাশিত: ২১:৩৬, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রামপালের দ্বিতীয় ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ

কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার বেলা ১১টা থেকে ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। তবে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট চালু থাকায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্ধ হয়ে যাওয়া দ্বিতীয় ইউনিটটি পুনরায় চালু করতে অন্তত চার দিন সময় লাগতে পারে।

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কারিগরি ত্রুটির কারণে রোববার সকাল থেকে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এটি সচল করতে প্রয়োজনীয় কাজ চলছে এবং পুনরায় চালু হতে চার দিনের মতো সময় লাগতে পারে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কী ধরনের কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে জানাতে পারেননি তিনি।

তিনি আরও জানান, কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে নিয়মিত জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে বাংলাদেশ ভারতের যৌথ উদ্যোগে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির আওতায় গঠিতবাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)’-এর অধীনে ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতারমৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্টনির্মাণ শুরু হয়।

রামপাল উপজেলার রাজনগর গৌরম্ভা ইউনিয়নের হাজার ৩৪ একর জমিতে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর প্রথম ইউনিটটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। আর ২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর দ্বিতীয় ইউনিটটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১২ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। তবে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার পর থেকে কারিগরি ত্রুটি, কয়লা সংকটসহ বিভিন্ন কারণে ৩০ বারেরও বেশি সময় কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শেয়ার করুনঃ

শীর্ষ সংবাদ: