বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার মল্লিকের বেড় ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সোহেল খানকে মারধর করে গলায় ছুরি ঠেকিয়ে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তাঁর স্ত্রী জাহানারা খানম। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আটকের দাবি জানান তিনি।
লিখিত বক্তব্যে জাহানারা খানম বলেন, রোববার সকালে তাঁর স্বামী ক্যান্সারে আক্রান্ত ভাইয়ের একটি ফর্ম জমা দিতে রামপাল উপজেলা কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে দুপুর ১টার দিকে গিলাতলা বাজারে পৌঁছালে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া পলাশ ফকির, জুবায়ের মল্লিক, রনি মীর, ইমরান, রাজুসহ ১০ থেকে ১২ জন তাঁকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে একটি বাগানে নিয়ে গিয়ে গলায় ছুরি ধরে সঙ্গে থাকা টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জাহানারা খানম আরও বলেন, টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে সোহেলকে মারধর করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে রামপাল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোহেলের সঙ্গে থাকা আরও একজনকেও মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ঘটনার পর তাঁরা আতঙ্কের মধ্যে আছেন। রামপালে গিয়ে থানায় মামলা করার সাহসও পাচ্ছেন না। তাঁরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
সংবাদ সম্মেলনে মল্লিকের বেড় ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল হাওলাদার, বিএনপি নেতা শামীম হাওলাদার, চান মিয়া শেখ, মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম ও মোহাম্মদ লাবলু হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন।


























