খুলনা কৃষি অঞ্চলের চার জেলায় সরকারের ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির প্রথম ধাপে ৯০ হাজার ৮৫৪ কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ব্লক পর্যায়ের সমীক্ষা চালিয়ে যোগ্য কৃষক বাছাই করা হয়েছে। তিন ধাপের সমীক্ষার মধ্যে দুটি ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। তৃতীয় ধাপের সমীক্ষা চলছে। সেই হিসেবে প্রথম দফায় কৃষকের সংখ্যা এক লাখ চাড়িয়ে যাবে।
খুলনা কৃষি অঞ্চল খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও নড়াইল জেলা নিয়ে গঠিত। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চার জেলার প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে কৃষক কার্ডের জন্য যোগ্য কৃষকদের চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে খুলনা জেলায় ২৮ হাজার ৪০৩, সাতক্ষীরায় ২৯ হাজার ৬৮৫, বাগেরহাটে ২৬ হাজার ৩৩৮ এবং নড়াইলে ৬ হাজার ৪২৮ কৃষককে যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব জেলার অবশিষ্ট যোগ্য কৃষকদের নামও পর্যায়ক্রমে চূড়ান্ত করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠানো হবে।
কর্মসূচির আওতায় কার্ডধারী কৃষকরা জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন। পাঁচ বছরে খুলনা কৃষি অঞ্চলের মোট ১১ লাখ ৯১ হাজার ১০৪ কৃষককে কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে সেচসেবা, প্রশিক্ষণ, কৃষিযন্ত্র সহায়তা, বালাই দমনসংক্রান্ত পরামর্শ, কৃষিপণ্য বিপণন, কৃষি বীমা, ভর্তুকি ও প্রণোদনা, ঋণ এবং কৃষি উপকরণসহ বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
খুলনা অঞ্চলের ডিএইর অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষকরা ব্যাংকের মাধ্যমে কার্ড পাবেন। কার্ডটি ডেবিট কার্ড হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।’


























